1. info@www.khulnarkhobor.com : admin :
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি/বিজ্ঞাপন
★খুলনার খবরে আপনাদের স্বাগতম★এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি★আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন।০১৯২৫-৫৩৬৩৪০★আপনাদের কাছে কোন তথ্য থাকলে আমাদের জানাতে পারেন।যোগাযোগের ঠিকানা, ৪৭,আপার যশোর রোড, খুলনা।ই-মেইল: khulnarkhobor24@gmail.com।মোবাঃ ০১৭২১-৪২৮১৩৫, ০১৭১০-২৪০৭৮৫।★আমাদের  প্রতিনিধি হতে চাইলে যোগাযোগ করুন : ০১৯২৫-৫৩৬৩৪০/০১৭১০-২৪০৭৮৫।★আকাশ ২৬টি HD চ্যানেলসহ মোট ৯০টি চ্যানেল মাত্র টাকা ৩০০/মাস "আকাশ" কিনতে যোগাযোগ করুন।৪৭,আপার যশোর রোড,খুলনা।মোবাঃ০১৭২১-৪২৮১৩৫,০১৯২৫-৫৩৬৩৪০,০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৯৭০-২৪০৭৮৫।লুকাস,  ভলভো,  হ্যামকো,  সাইফপাওয়ার ব্যাটারিসহ সকল প্রকার ব্যাটারি পাইকারি ও খুচরা মুল্যে পাওয়া যায়।সকল প্রকার এসি ও সোলার প্যানেল পাওয়া যায়।এম,ইব্রাহিম এন্ড কোং,৪৬ আপার যশোর রোড, খুলনা।মোবাইল: ০১৭১০-২৪০৭৮৫/০১৯৭০-২৪০৭৮৫★রিক্সা ও ভ্যানের ১নং চায়না ব্যাটারির একমাত্র পাইকারি বিক্রয় প্রতিষ্ঠান এম,ইব্রাহিম এন্ড সন্স।৪৭,আপার যশোর রোড,(সঙ্গিতার মোড়) খুলনা।মোবাঃ ০১৭১০-২৪০৭৮৫/ ০১৯৭০-২৪০৭৮৫/০১৭২১-৪২৮১৩৫।
খুলনার খবর
মাদারীপুরের কালকিনিতে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার নড়াইলে বঙ্গমাতার জন্মদিন উপলক্ষে সেলাই মেশিন ও নগদ অর্থ বিতরণ লোহাগড়ায় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে কটুক্তি,স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক তারিকুল গ্রেফতার পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিট ট্রিপ করে দক্ষিণাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ইনস্টাগ্রামে যুক্ত হলো নতুন ফিচার ইউটিউবের ৫টি ফিচার সম্পর্কে জানুন নড়াইলে কৃষক দলের সমাবেশ অনুষ্ঠিত নড়াইলের লোহাগড়ায় গৃহবধূকে অপহরণ থানায় মামলা না নেওয়ার অভিযোগ নড়াইলে পানির অভাবে পাট নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী আজ

রহিমার ভালোবাসার টানে কেশবপুরে আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার হোগল’র বসবাস

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ২৪২ বার পড়া হয়েছে

পরেশ দেবনাথ, কেশবপুর,(যশোর)// প্রেমিক রহিমার ভালোবাসার টানে কেশবপুরে আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার হোগল’র বসবাস। রহিমা বলেন,প্রজন্মে কাছে ভালোবাসার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে যেতে চাই আমরা।

হোগল বলেন,আমি বহু দেশ ঘুরেছি। সত্যি বলতে,বাংলার প্রকৃতিকেে ভালোবেসে ফেলেছি। স্থানীয়দের উন্নয়নে কাজ করার ইচ্ছা আমার। ভালোবাসা দিবসে আম গোলাপ বিনিময় করব,কেক কাটবো কপোতাক্ষের তীর ঘেঁষে দুজন হাঁটবো এভাবেই চোখে চোখ রেখে আমৃত ‘ভালোবেসে, সখী নিভৃত যতনে আমার নামটি লিখো- তোমার মনের মন্দিরে’-কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের এই গান যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে কেশবপুরের নিভৃত পল্লী মেহেরপুরে বাঙালি নারী রহিমা ও মার্কিন প্রকৌশলী ক্রিস্টফার মার্ক হোগলের জীবনে। বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে তাঁরা একে-অপরকে গোলাপ ফুল বিনিময় করাসহ কেক কাটেন।

রহিমা খাতুন কেশবপুরের মেহেরপুর গ্রামের মেয়ে। তাঁর প্রেমে পড়ে আমেরিকার পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ার ক্রিস্টফার মার্ক হোগল এখন কেশবপুরের অজপাড়াগাঁ মেহেরপুর গ্রামে এসে বসবাস করছেন। রহিমাকে বিয়ে করে আর ফিরে যাননি তিনি আমেরিকায়। ক্রিস্টফার মার্ক হোগল এখন আয়ুব হোসেন নামে পরিচিত। তাঁরা একে-অপরকে ভালোবাসার বন্ধনে বাকি জীবন মধুকবির স্মৃতি বিজড়িত কপোতাক্ষ নদ তীরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে গড়ে ওঠা মেহেরপুর গ্রামেই থাকার জন্য একটি দৃষ্টিনন্দন বাড়ি গড়ে তুলেছেন। ক্রিস্টফার মার্ক হোগলের সুন্দর ব্যবহারে এলাকার মানুষও মুগ্ধ। রহিমা ও হোগলের মধ্যে অটুট ভালোবাসা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

সরেজমিনে মেহেরপুর গ্রামে রহিমা ও ক্রিস্টফার মার্ক হোগলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় বিদেশী শেতাঙ্গ হোগলের শরীরে ট্যাটু আঁকা। একটু এগিয়ে এসে ক্রিস্টফার মার্ক হোগল ওরফে আয়ুব হোসেন আমাদের আধো উচ্চারণে সালাম দিলেন। ওই সময় রহিমা বাড়িতে ছিলেন না। কিছু সময় পর রহিমার পুত্রবধূ এসে হাজির। তাকে রহিমা কোথায় গেছে জানতে চাইলে বলেন ধান ছাটাই করতে। কথা চলাকালেই রহিমা ভ্যান ভর্তি চাল নিয়ে হাজির। হোগল এগিয়ে গিয়ে ভ্যানটি ঠেলে এগিয়ে নিয়ে আসে এবং ভ্যানের উপর থেকে চালের বস্তা নিজেই কাঁধে করে নিয়ে ঘরে উঠালেন। এই কায়িক শ্রমে মার্কিন ইঞ্জিনিয়ারকে ক্লান্ত মনে হলো না। কাজের ফাঁকে ফাঁকে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানায়, তার বাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে,পেশায় তিনি পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ার। রহিমা খাতুনের সঙ্গে ভারতের আসানসোলে তাঁদের প্রথম পরিচয় হয়। পরিচয়েই তাঁরা একে-অপরকে ভালোবেসে ফেলেন। ভালোবাসার একপর্যায়ে ছয় মাস পর তারা ২০১০ সালের ১০ এপ্রিল বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ক্রিস্টফার মার্ক হোগল নিজেকে বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন পুরোপুরি।

রহিমা জানান,শৈশবেই তাঁর বাবা আবুল খাঁ ও মা নেছারুন নেছা অভাবের তাড়নায় ভারতে পাড়ি দেন। তাঁদের সঙ্গী হন তিনিও। পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতে তাঁর মা অন্যের বাড়িতে কাজ করতেন। বাবা ছিলেন শ্রমিক। অভাবের কারণে ১৩ ১৪ বছর বয়সেই কিশোরী রহিমাকে তাঁর বাবা বিয়ে দেন। সেখানে রহিমার তিন সন্তানের জন্ম হয়। দরিদ্র রহিমাকে একসময় ছেড়ে যান তাঁর স্বামী। বাধ্য হয়ে জীবিকার তাগিদে রহিমাও চলে যান মুম্বাইতে। কাজের সন্ধানে আশ্রয় নেন বস্তির খুপরিতে। তখন তিনি জীবিকার সন্ধানে মুম্বাই শহরে গেলে ক্রিস্টফার মার্ক হোগলের সঙ্গে পরিচয় ও বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাকে নিয়ে হোগল চীনে যান। সেখানে ৫ বছর থাকার পরে হোগলকে নিয়ে নিজের জন্মভূমিতে প্রায় ৪ বছর ফিরে এসে বসবাস করছেন। রহিমা খাতুন স্বামী হোগলের সঙ্গে থাকতে থাকতে ইংরেজি, হিন্দি ও চায়না ভাষা রপ্ত করেছেন। রহিমা মেহেরপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খাঁ ও নিছারুন বেগমের মেয়ে।

হোগলের আমেরিকায় এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। আমেরিকার স্ত্রী সঙ্গে তার অনেক আগেই বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। আমেরিকার ছেলে-মেয়ের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে। রহিমার বড় ছেলের স্ত্রী তামান্না খাতুন বলেন, শ্বশুর ক্রিস্টফার মার্ক হোগল (আয়ুব হোসেন) তাদেরকে খুবই ভালোবাসেন। তার ব্যবহার অত্যন্ত ভালো। এলাকার মানুষের সঙ্গে সুন্দর ব্যবহার করে মন জয় করেছেন। তিনি কৃষি কাজসহ গরু-ছাগল পালন করছেন। বাড়িতে ৭টি গরু ও ৯টি ছাগল নিজ হাতে দেখাশোনা করেন। তিনি এবার ১৫ কাটা জমিতে বোরো আবাদ করেছেন। রহিমা খাতুন আরও বলেন, তাঁরা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এভাবেই এক-অপরকে ভালোবেসে থাকতে চান।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.comজাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।নিবন্ধন নাম্বার:...।যেকোন তথ্য পাঠাতে আমাদের কাছে মেইল করুন।আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া সকল ঘটনার খবর আমাদের জানাতে পারেন।ই-মেইল: khulnarkhobor24@gmail.com।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।