1. info@www.khulnarkhobor.com : khulnarkhobor :
রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি/বিজ্ঞাপন
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) নীচতলা,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
পাইকগাছায় রাইস মিলের শব্দ,কুড়া ও ধুলাবালিতে পরিবেশ নষ্ট,ইউএনও দপ্তরে অভিযোগ গাবুরার খোলপেটুয়া নদের বেড়িবাঁধে ভাঙন, আতঙ্কে এলাকাবাসী টস জিতে বোলিংয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতির সাথে সেনাবাহিনী প্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ সাংবাদিকতা নিয়ে পুলিশের বিবৃতিতে বিএফইউজে ও ডিইউজের উদ্বেগ কেশবপুর চারুপীঠ একাডেমি’র একযুগ পূর্তি সাংস্কৃতিক উৎসব পালন জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত  ফকিরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলে নিহত কেশবপুরে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাগুরায় জমিজমা দাঙ্গায় যুবক খুন, বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট কেএমপি’র অভিযানে ৬০০ গ্রাম গাঁজা ও ২০ পিস ইয়াবা সহ  গ্রেফতার ৫ বজ্রপাতে কয়রার শিশুসহ নিহত ২ মাধ্যমিক পর্যায়ে স্কুল খুলবে ২৬ জুন বাগেরহাটে ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেন সংসদ সদস্য প্রতিনিধি লোহাগড়ায় নিরাপদ সড়কের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত চামড়া পাচার রোধে শার্শা সীমান্তে বিজিবি টহল জোরদার শার্শায় ট্রাকের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত, ট্রাক ও ড্রাইভার আটক শার্শার পল্লীতে ককটেল বিস্ফোরণে দুই শিশু আহত কেশবপুরে এস,এস,সি-৯১ ব্যাচের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানটি মিলনমেলায় পরিণত হয় কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হলেন পাইকগাছার লিটন

আয়কর রিটার্ন দাখিলের নতুন শর্ত! বিপাকে গ্রাহক ও ব্যাংকগুলো

  • প্রকাশিত : বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২৬৫ বার শেয়ার হয়েছে

নিউজ ডেস্ক // আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক করায় এবার প্রভাব পড়ছে ক্ষুদ্র ঋণ, ক্রেডিট কার্ডসহ সঞ্চয়পত্রে। এবারের বাজেটে ৩৮ ধরনের সেবা গ্রহণে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতদিন শুধু কর শনাক্তকরণ টিন নম্বর (TIN) জমা দিলেই অনেক সেবা মিলত। কিন্তু এবার অনেক ক্ষেত্রে দিতে হবে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র।

যেসব সেবা পেতে রিটার্ন জমা দিতে হবে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ৫ লাখ টাকার বেশি ঋণের জন্য আবেদন, ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র ক্রয়, ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ উল্লেখযোগ্য।

ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ টাকার বেশি হলেই এখন গ্রাহককে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হচ্ছে। না হলে ব্যাংক ঋণ দিচ্ছে না। কারণ, রিটার্ন ছাড়া ঋণ দিলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এবারের বাজেটের অর্থবিলে এই ধরনের জরিমানার বিধানও রাখা হয়েছে। এদিকে যারা আগে ব্যাংক থেকে এসব সেবা নিয়েছেন তাদের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্যও বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের মোবাইলফোনে খুদেবার্তা পাঠানো হচ্ছে। ফলে যারা বিভিন্ন কারণে টিআইএন গ্রহণ করেছেন, কিন্তু রিটার্ন দিচ্ছেন না, এখন তাদেরও রিটার্ন দিতে হবে।

বিভিন্ন ব্যাংক সুত্রে জানা যায়, ক্রেডিট কার্ড দিতে রিটার্নধারী লোকই পাওয়া যাচ্ছে না। দেশে টিআইএন আছে প্রায় ৬০ লাখ লোকের। এর মধ্যে রিটার্ন জমা দেন ২২ লাখ লোকের মতো। এতদিন টিআইএন থাকলেই ক্রেডিট কার্ড দেওয়া যেত। এখন যাচ্ছে না। অর্থাৎ এ কারণে ক্রেডিট কার্ডের বাজার ছোট হয়ে গেছে। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে না দেওয়ার কোনো নির্দেশনা তাদের হাতে নেই। বাজেটে ক্রেডিট কার্ডে আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক করার কারণে এ খাতে তাদের ক্রেডিট কার্ড বিক্রি ও ব্যবসা প্রায় অর্ধেকে নেমে গেছে। ব্যাংকের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ গ্রাহকও। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ছোট ঋণ ও কম আয়ের গ্রাহকদের ক্রেডিট কার্ড পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে।

ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, অর্থনীতি চাঙ্গা রাখতে ছোট অঙ্কের ঋণ ও ক্রেডিট কার্ডে প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন। যারা ২০-২৫ হাজার টাকা আয় করেন, তারা ছোট ঋণ ও কার্ড নিতে পারতেন। এসব সেবা নিতে তারা কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) নেন, তবে রিটার্ন দেন না। এখন রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে এসব সেবায় প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে ক্রেডিট কার্ডে লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ২৯ শতাংশ বেড়েছে। ২০২১ সালের জুনে ক্রেডিট কার্ডে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা। গত জুনে এ লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকায়। বাজেটের পরে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহারের পরিসংখ্যান এখনো আসেনি। জুলাইয়ের পর থেকে এর ব্যবহার কমে গেছে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যাংকাররা। এদিকে টিআইএন দিয়ে এর আগে সঞ্চয়পত্র কেনা গেলেও এবার রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখাতে হবে। ফলে সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।