1. info@www.khulnarkhobor.com : khulnarkhobor :
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি/বিজ্ঞাপন
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) নীচতলা,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
দিঘলিয়ায় নির্মিত হচ্ছে মিনি স্টডিয়াম; পাথরের পরিবর্তে ইটের খোয়া ও ধূলো বালু শার্শা উপজেলার সরকারি অফিস গুলোতে বিদ‍্যুৎ অপচয় হচ্ছে দেদারসে লোহাগড়ায় মধুমতী নদী থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার লোহাগড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৭ মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত তেরখাদায় “অন্ধকার থেকে আলোর পথে” নাটকের শুভমুক্তি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও হত্যার হুমকির প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন পাইকগাছায় রেমালে লন্ডভন্ড ইটের সলিং এর রাস্তা অবশেষে স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার পাইকগাছায় প্রতিদিনের কথা’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন সাবেক ছাত্রলীগ নেতার কেশবপুর থানা পুলিশের অভিযানে ১ সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৮ জন গ্রেফতার মাও: সাখাওয়াত হোসেনের সুস্থতা কামনায় ইসলামী আন্দোলন খুলনা মহানগর নেতৃবৃন্দ দিঘলিয়ায় রেকর্ডীয় ভিপি জমিতে পাকা বাড়ি; বছর পেরিয়ে গেলেও উদ্ধার করতে পারেনি ভূমি অফিস ঝিকরগাছায় চুরি করতে এসে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা ও মেয়ে আহত জাতীয় রপ্তানি ট্রফি পেল খুলনার প্রিয়াম ফিশ এক্সপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় রপ্তানি ট্রফি পেল ৭৭ প্রতিষ্ঠান নড়াইলে সাংবাদিকের পরিবারের উপর হামলা ও প্রান নাশের হুমকির অভিযোগ শার্শায় পাট পচনের জন্য বৃষ্টির হাহাকার; কৃষকের মনে সংশয় লোহাগড়ায় পরিছন্ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন শার্শায় যুবককে ছুরিকাঘাত করে টাকা ছিনতাই

নড়াইলে বন্দোবস্তকৃত সরকারি জমি প্লট আকারে বিক্রির অভিযোগ

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৩৩ বার শেয়ার হয়েছে

মোঃ আলমগীর হোসেন,লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি // সরকারের খাস খতিয়ানের ৭০ শতাংশ জমি একসোনা বন্দোবস্ত নিয়ে প্লট করে বিক্রি করা হচ্ছে। এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে নড়াইল সদর এবং যশোর অভয়নগর উপজেলার সীমান্তবর্তী চাকই বাজারে। এ পর্যন্ত জমি বন্দোবস্ত গ্রহীতা ২৩টি প্লট করে পজিশন বিক্রি করেছেন বলে জানা গেছে। প্রতিটি প্লটের পজিশন ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা করে বিক্রি করা হয়েছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, নড়াইল-অভয়নগর উপজেলা সীমান্তবর্তী সড়কের দুই পাশেই চাকই বাজার। নড়াইল সদর উপজেলার বিছালী ইউনিয়ন এবং যশোরের অভনগর উপজেলার বাগুটিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা এই বাজারে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা-বাণিজ্য করে আসছেন। দুইটি ইউনিয়নের ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বাজারটি সরকারের খাস খতিয়ানভূক্ত। সেখানে রাস্তার দুই পাশের গাছপালা কেটে পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।

যশোরের অভয়নগর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো.কামরুজ্জামান সরকারি জমি প্লট করে পজিশন বিক্রি করার কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরো বলেন,শুধু জমি বিক্রি নয় এখানকার গাছপালও কেটে বিক্রি করা হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪/৫ লাখ টাকা। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,একসোনা বন্দোবস্তের জমি বাণিজ্যিকভাবে নয়। শুধুমাত্র বসবাসের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। যারা দোকান ঘরের জন্য টাকা দিয়েছেন তারা আমার কাছে লিখিত দিয়েছেন। এ ব্যাপারে জমি বন্দোবস্তকারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বাগুটিয়া ইউনিয়নের কোদলা গ্রামের মৃত নিরাপদ রায়ের ছেলে কৌশুলি স্বপন কুমার রায় ভবানীপুর মৌজার ৬১ নম্বর খতিয়ানের ৩৯,৪২,৪৩ আর এস দাগের ৭০ শতাংশ জমি ১৫ হাজার ২৫০ টাকা সরকারের ঘরে জমা দিয়ে একসোনা বন্দোবস্ত নেন। বন্দোবস্তকৃত ওই জমি তার ভাই সৌমিত্র রায় দেখভাল করেন। সরকারি নিযমনীতি উপেক্ষা করে সৌমিত্র রায বন্দোবস্তকৃত জমির ওপর থেকে মূল্যবান গাছপালা কেটে বিক্রি করেন। সেখানে ২৩টি পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করে ঘরের পজিশন বিক্রি করছেন। এক এক জনের কাছ থেকে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা করে নিয়েছেন।

বাগুটিয়া ইউনিযনের চাকই গ্রামের মো.মুনছুর মোল্লা এবং নাজমুল শেখ বলেন,স্বপন বাবুর ভাই সৌমিত্র বিম্বাসের কাছে লাখ টাকা অগ্রীম জমা দিয়ে দোকানঘর বন্দোবস্ত নিয়েছে।
বিছালী ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামের আমিরুল ইসলাম,মির্জাপুর গ্রামের সোহাগ গাজী,সুজন কাজী,রুখালি গ্রামের আবু সামাদ বলেন,আমরা সৌমিত্রের কাছে ৫ লাখ টাকা অগ্রীম দিয়েছি।

চাকই বাজার বণিক সমিতির সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন,আমারে কেউ কিছু জানায় না। কারা কারা ঘর তুলতিছে জানিনা। তিনি বলেন বাজারের প্রায় সব জমিই খাস। পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রীন ভয়েস এর নড়াইলের সমন্বয়ক শরিফুজ্জামান বলেন, এভাবে বৃক্ষ নিধন করে সরকারি যাইগায় পাকা স্থাপনা বানানো পরবর্তী প্রজন্ম চরম বিপর্যয়ে পড়বে।

জানতে চাইলে সৌমিত্র বিশ্বাস বলেন,আমার দাদা স্বপন কুমার রায় সরকারের ঘরে টাকা জমা দিয়ে ৭০ শতাংশ জমি একসোনা বন্দোবস্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন,২২/২৩টি দোকান ঘর নির্মাণ করেছি। ‍এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকারি আইনকানুনের বিষয়টি দাদা ভালো জানে।
মুঠোফোনে(০১৭১২১৫৭৩৪৮০) স্বপন কুমার বিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি নিয়ম মেনেই ঘর নির্মাণ করছি।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।