1. info@www.khulnarkhobor.com : khulnarkhobor :
রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি/বিজ্ঞাপন
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) নীচতলা,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
পাইকগাছায় রাইস মিলের শব্দ,কুড়া ও ধুলাবালিতে পরিবেশ নষ্ট,ইউএনও দপ্তরে অভিযোগ গাবুরার খোলপেটুয়া নদের বেড়িবাঁধে ভাঙন, আতঙ্কে এলাকাবাসী টস জিতে বোলিংয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতির সাথে সেনাবাহিনী প্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ সাংবাদিকতা নিয়ে পুলিশের বিবৃতিতে বিএফইউজে ও ডিইউজের উদ্বেগ কেশবপুর চারুপীঠ একাডেমি’র একযুগ পূর্তি সাংস্কৃতিক উৎসব পালন জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত  ফকিরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলে নিহত কেশবপুরে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাগুরায় জমিজমা দাঙ্গায় যুবক খুন, বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট কেএমপি’র অভিযানে ৬০০ গ্রাম গাঁজা ও ২০ পিস ইয়াবা সহ  গ্রেফতার ৫ বজ্রপাতে কয়রার শিশুসহ নিহত ২ মাধ্যমিক পর্যায়ে স্কুল খুলবে ২৬ জুন বাগেরহাটে ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেন সংসদ সদস্য প্রতিনিধি লোহাগড়ায় নিরাপদ সড়কের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত চামড়া পাচার রোধে শার্শা সীমান্তে বিজিবি টহল জোরদার শার্শায় ট্রাকের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত, ট্রাক ও ড্রাইভার আটক শার্শার পল্লীতে ককটেল বিস্ফোরণে দুই শিশু আহত কেশবপুরে এস,এস,সি-৯১ ব্যাচের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানটি মিলনমেলায় পরিণত হয় কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হলেন পাইকগাছার লিটন

যে পরিকল্পনায় খুন হন লোহাগড়ার চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন ভাড়াটিয়া শুটার 

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৮ মে, ২০২৪
  • ৩২ বার শেয়ার হয়েছে

মোঃআলমগীর হোসেন,নড়াইল || নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জড়িত শুটারসহ চারজনকে গ্রেফতারের পর নেপথ্যের ঘটনা বেরিয়ে এসেছে।

মূলত সাবেক ইউপি সদস্যের সঙ্গে বিরোধ এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হত্যার ঘটনা ঘটে। প্রতিপক্ষ ভাড়ায় শুটার এনে গুলি করে মোস্তফা কামালকে হত্যা করেন। তবে এই ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সদস্য আকবর হোসেন লিপনকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি র‍্যাব।

গ্রেফতার চারজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য মিলেছে বলে জানিয়েছে এলিট ফোর্স।

গত ১০ মে হত্যার শিকার হন চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল। ঘটনার সাত দিন পর চারজনকে গ্রেফতারের পর বেরিয়ে আসে খুনের রহস্য।

গ্রেফতার চারজন হলেন- শুটার সাজেদুল মল্লিক (২৫), পাভেল শেখ (২৮), মামুন মোল্যা (২৬) ও রহমত উল্লাহ শেখ (১৯)। এর মধ্যে দুজন ছাত্র, একজন চালক, আরেকজন শ্রমিক। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বায়েজিদ ও নড়াইল থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

শুক্রবার (১৭ মে) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন র‍্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম।

গত ১০ মে মোস্তফা কামালকে দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা ও এলোপাথাড়ী গুলি করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এরপর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার সময় রাস্তায় মারা যান। এই হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই রিজাউল শিকদার বাদী হয়ে ইউপি সদস্য আকবর হোসেন লিপনকে প্রধান আসামী করে লোহাগড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় চারজনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

র‍্যাবের মুখপাত্র জানান,দীর্ঘ বিরোধের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে। মল্লিকপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল ও একই ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আকবর হোসেন লিপনের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পূর্ব থেকে শত্রুতা ছিল। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে পূর্ব বিরোধের জের ধরে মোস্তফা কামাল এবং আকবর হোসেন লিপনের অনুসারীদের মধ্যে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সংঘর্ষে লিপন গুরুতর আহত হন এবং তার একটি হাত কাটা পড়ে।

পরে লিপন ও তার অনুসারীরা মোস্তফা কামালের ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ খুঁজতে থাকে। সে কারণেও এ হত্যাকাণ্ড।

র‍্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম জানান, লিপনের নির্দেশনায় ঘটনার দিন সকালে তার ছোট ভাইয়ের বাড়িতে গ্রেফতার সাজেদুলসহ অন্যরা মোস্তফা কামালকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী মোস্তফা কামালের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সাজেদুলসহ অন্যরা সুইচ গিয়ার চাকু, রাম দাসহ বিদেশি অস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে ওঁৎ পেতে থাকেন। মোস্তফা কামাল ঘটনাস্থলে পৌঁছানো মাত্রই সুযোগ বুঝে সাজেদুলের হাতে থাকা বিদেশি পিস্তল দিয়ে মোস্তফা কামালকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি করেন। যার মধ্যে দুই রাউন্ড গুলি কামালের বুকে ও পিঠে বিদ্ধ হয় এবং এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

র‍্যাব জানায়,সাজেদুলসহ অন্য সহযোগীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার এড়াতে ঢাকা, পতেঙ্গা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পালিয়ে যান এবং আত্মগোপন করেন।এই অবস্থায় চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকা থেকে সাজেদুল, পাভেল ও মামুন র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার হন। সাজেদুলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী রহমত উল্লাহকে নড়াইল থেকে গ্রেফতার করা হয়।

কমান্ডার আরাফাত ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাজিদ মল্লিক জানিয়েছেন, এই হত্যাকাণ্ডে তিনি সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন। ওই সময় তার হাতে থাকা চার রাউন্ড এমুনিশন ভর্তি গুলি দিয়ে তিন রাউন্ড গুলি করেন। এতে চেয়ারম্যানের হাতে, বুকে ও পাজরে লাগে। পরবর্তী সময়ে এই অস্ত্রটি তিনি নড়াইলের মধুমতি নদীতে ফেলে দেন। এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার এড়াতে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। অন্যদের হাতেও অস্ত্র ছিল। তাদের এক লাখ টাকায় ভাড়া করে আনা হয়েছিল এই হত্যাকাণ্ডের জন্য।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।