1. info@www.khulnarkhobor.com : khulnarkhobor :
শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি/বিজ্ঞাপন
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) নীচতলা,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
কেএমপি’র অভিযানে ৬০০ গ্রাম গাঁজা ও ২০ পিস ইয়াবা সহ  গ্রেফতার ৫ বজ্রপাতে কয়রার শিশুসহ নিহত ২ মাধ্যমিক পর্যায়ে স্কুল খুলবে ২৬ জুন বাগেরহাটে ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেন সংসদ সদস্য প্রতিনিধি লোহাগড়ায় নিরাপদ সড়কের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত চামড়া পাচার রোধে শার্শা সীমান্তে বিজিবি টহল জোরদার শার্শায় ট্রাকের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত, ট্রাক ও ড্রাইভার আটক শার্শার পল্লীতে ককটেল বিস্ফোরণে দুই শিশু আহত কেশবপুরে এস,এস,সি-৯১ ব্যাচের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানটি মিলনমেলায় পরিণত হয় কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হলেন পাইকগাছার লিটন খুলনায় ঈদের জামাত সকাল ৮টায় কোরবানির পশু হাট শেষ মুহূর্তে জমে উঠলেও-বিপাকে খামারিরা পাইকগাছায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কেশবপুরে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টায় গ্রেফতার-১ ঝিকরগাছায় গরিবের ঈদের চাউল উধাও:বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ নড়াইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কিশোর নিহত শার্শায় এবার ঈদের কেনাকাটা জমে ওঠেনি পবিত্র হজ্জ আজ নড়াইলে ঘেরের পাড় থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার এবি পার্টিতে নবাগতদের সংবর্ধনা

আজ প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ডা: নীহার রঞ্জন গুপ্তের ১১৩ তম জন্মদিন 

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৫ জুন, ২০২৪
  • ২৩ বার শেয়ার হয়েছে

মোঃ আলমগীর হোসেন,নড়াইল || কীরিটি রায়’ চরিত্রখ্যাত স্বনামধন্য ঔপন্যাসিক ও চিকিৎসক নীহাররঞ্জন গুপ্তের ১১৪ তম জন্মবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার (৬জুন)

১৯১১ সালের ৬ জুন নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতার নাম সত্যরঞ্জন গুপ্ত ও মায়ের নাম লবঙ্গলতা দেবী।

 

নীহাররঞ্জন গুপ্ত গোয়েন্দা ও রহস্য কাহিনি লেখক হিসেবে যেমন জনপ্রিয়, তেমনি চিকিৎসক হিসেবেও স্বনামধন্য। বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র ‘কিরীটি রায়’ এর স্রষ্টা হিসেবে উপমহাদেশে স্মরণীয় হয়ে আছেন তিনি।

 

নড়াইলের ইতনা গ্রামে নীহার রঞ্জন গুপ্তের আপনজন কেউ নেই। প্রায় ২০০ বছরের ঐহিত্যবাহী দৃষ্টিনন্দন সুবিশাল বাড়িটি দীর্ঘদিন ধরে ভগ্নদশায় থাকার পর ২০১৭ সালে সংস্কার করা হয়েছে , বর্তমানে এটি নীহার রঞ্জন গুপ্ত স্মৃতি যাদুঘর হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

 

সুবিশাল নান্দনিক এই বাড়িটির নাম-‘আনন্দ অন্নদা কুটির’। প্রাচীন স্থাপত্যের অপূর্ব নিদর্শন এটি। দ্বিতল বাড়িটিতে নিচতলায় সাতটি এবং উপরতলায় তিনটি কক্ষ রয়েছে। আর বাসভবনের সামনেই রয়েছে মন্দির। এছাড়া, একটি পুকুরসহ গাছপালা রয়েছে।

 

চাকরিজীবী বাবা সত্যরঞ্জন গুপ্তের বিভিন্ন কর্মস্থলে অবস্থানকালে নীহাররঞ্জন গাইবান্ধা হাইস্কুলসহ বেশ কয়েকটি স্কুলে পড়ালেখা করেন। ১৯৩০ সালে ভারতের কোন্ননগর হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন (এসএসসি) পাস করেন। পরবর্তীতে কৃষ্ণনগর কলেজ থেকে আইএসসি পাস করে ডাক্তারি পড়ার জন্য কারমাইকেল মেডিকেল কলেজ থেকে ডাক্তারি বিদ্যায় কৃতকার্য হন। এরপর লন্ডন থেকে চর্মরোগ বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ছাত্রাবস্থায় তার বড় বোন বিষাক্ত পোকার কামড়ে মারা যাওয়ায় এর চিকিৎসার স্বপ্ন দেখেন এবং পরবর্তীতে সফলও হন।

 

ডাক্তারি পাস করে বেশ কিছুদিন নিজস্ব ভাবে প্রাক্টিস করেন। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় স্থানান্তরিত হন। তিনি মেজর পদেও উন্নীত হন।

 

চাকুরি সূত্রে চট্টগ্রাম, বার্মা (বর্তমান মায়ানমার), মিশর পর্যন্ত বিভিন্ন রণাঙ্গনে ঘুরে বহু বিচিত্র অভিজ্ঞতা লাভ করেন। একসময় চাকরি ছেড়ে কলকাতায় ব্যক্তিগতভাবে ডাক্তারি শুরু করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কলকাতায় বিশেষ পরিচিত হয়ে ওঠেন। ভারত বিভক্তির পর ১৯৪৭ সালে পরিবারসহ স্থায়ী ভাবে কলকাতায় বসবাস করেন।

 

নীহার রঞ্জন গুপ্তের উপন্যাসের সংখ্যা দুইশতরও বেশি। এর মধ্যে প্রকাশিত উপন্যাসগুলো-‘মঙ্গলসূত্র’, ‘উর্বশী সন্ধ্যা’, ‘উল্কা’, ‘বহ্নিশিখা’, ‘অজ্ঞাতবাস’, ‘অমৃত পাত্রখানি’, ‘ইস্কাবনের টেক্কা’, ‘অশান্ত ঘূর্ণি’, ‘মধুমতি থেকে ভাগীরথী’। এই চলচ্চিত্রায়িত উপন্যাসগুলো আমাদের চলচ্চিত্র জগতকে সমৃদ্ধ করেছে। তার কালজয়ী উপন্যাস ‘লালুভুলু’ পাঁচটি ভাষায় চিত্রায়িত হয়েছে। ১৯৮৩ সালে উপন্যাসটি বাংলাদেশেও চিত্রায়িত হয় এবং দর্শকদের কাছে প্রশংসা অর্জন করে। নীহার রঞ্জনের অনেক উপন্যাস থিয়েটারে মঞ্চস্থ হয়েছে। বিশেষ করে তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘উল্কা’ থিয়েটারের দর্শকদের আকৃষ্ট করে। নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৯৮৬ সালের ২০ ফ্রেরুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।