1. info@www.khulnarkhobor.com : khulnarkhobor :
রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৮:২০ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি/বিজ্ঞাপন
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) নীচতলা,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
জাতীয় রপ্তানি ট্রফি পেল খুলনার প্রিয়াম ফিশ এক্সপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় রপ্তানি ট্রফি পেল ৭৭ প্রতিষ্ঠান নড়াইলে সাংবাদিকের পরিবারের উপর হামলা ও প্রান নাশের হুমকির অভিযোগ শার্শায় পাট পচনের জন্য বৃষ্টির হাহাকার; কৃষকের মনে সংশয় লোহাগড়ায় পরিছন্ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন শার্শায় যুবককে ছুরিকাঘাত করে টাকা ছিনতাই কেশবপুরে পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গড়তে শহরের হোটেল-সেলুন-চায়ের-চায়ের দোকানে ডাস্টবিন প্রদান পাইকগাছায় বোনদের জমি জোর পূর্বক ভোগদখল করেছে ভাইয়েরা তেরখাদায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কেশবপুরের গড়ভাঙ্গা ভায়া দূর্বাডাঙ্গা সড়কের সংস্কার কাজ নয় মাস ধরে বন্ধ,ঠিকাদার উধাও যশোরে মাকে হত্যার পর মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখার অভিযোগ মোংলায় টাকা দিয়ে বৈধভাবে জমি কিনে বিপাকে পড়েছেন কয়েকজন ক্রেতা তেরখাদায় আব্দুস সালাম মূর্শেদী ফকিরহাটে যাত্রীবাহী দুটি বাসের সংঘর্ষ; নিহত ১, আহত কমপক্ষে ২০ কেশবপুরে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করলেন এমপি আজিজুল ইসলাম লোহাগড়ায় কেন্দ্রীয় যুবদলের নতুন কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে যুবদলের আনন্দ মিছিল খুলনায় জমিসংক্রান্ত বিরোধে ভাতিজার হাতে চাচা নিহত,আহত ২ কেশবপুরে ১৮৫ জন শিশুদের মাঝে স্কুল ব্যাগ,বেডসীড এবং মশারী বিতরণ দিঘলিয়া সন্তান ও ঢাকা আশুলিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি কামাল হোসেন এর পিতার মৃত্যু অবশেষে উন্মক্ত হলো কপিলমুনি ধান্য চত্বর

যশোর-বেনাপোল সড়কে শতবর্ষী গাছগুলো কেড়ে নিল ২ প্রান; অসংখ্য দূর্ঘটনার স্বীকার পথচারীরা

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০২৪
  • ২১ বার শেয়ার হয়েছে
oppo_32

মোঃ রফিকুল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি || যশোর বেনাপোল ৭ক্ষীরা সড়কে নাভারন এলাকায় রাস্তার দু পাশ দিয়ে হেলে পড়া ও শুকিয়ে মরা শতবর্ষী গাছগুলো থেকে ডালপালা ভেঙ্গে পড়ছে প্রতিনিয়ত। এতে ক্ষয়ক্ষতি ও আহত হচ্ছেন পথচারীরা।এমনকি এ সড়কে চলাচকারী যানবাহনেরও ক্ষতির সম্মূখীন হচ্ছেন। এই সড়ক ব‍্যবহারকারী ও সড়কে অবস্থানরত বাসিন্দা ও ব‍্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে গাছগুলো অপসারণের দাবি জানিয়ে আসছে। গাছগুলো অপসারণের দাবিতে বিশেষ করে নাভারন বাজার ব‍্যবসায়ী ও এই এলাকার সুধী সমাজ, একাধিক বার ব‍্যানার, ফেষ্টুন সহকারে সভা, সমাবেশ, সেমিনার ও মানববন্ধন করে, যা দেশের বিভিন্ন পত্র, পত্রিকা ও বিভিন্ন টিভি, চ‍্যানেলে ঢালাও ভাবে প্রচার, প্রচারণা করা হয়।কিন্তু সংশ্লিষ্টদের নতজানু কারণে ভূক্তভোগীদের দাবি আজও উপেক্ষিত।

তথ্যনুসন্ধানে জানা যায়,যশোর বেনাপোল মহাসড়ক ও ৭ ক্ষীরা সড়কে সড়ক ও জনপথ বিভাগের যুগ, যুগ ধরে বেড়ে ওঠা,শতবর্ষী গাছগুলো দীর্ঘদিন যাবৎ মেরুদণ্ডহীন ভাবে মরে দাড়িয়ে আছে কালের স্বাক্ষী হয়ে।

সংশ্লিষ্টদের অভিমত সরকারি নিয়মতান্ত্রিক আইনি জটিলতায়,এ সব গাছ অপসারণ সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে শতবর্ষী গাছগুলো মরে থাকলেও, কেটে ফেলার অনুমতি মিলছে না সহসায়। এতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে পথচারীরা। এর মধ্যে যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারন বাজারের কলেজের সামনে বহুদিন যাবৎ,একটি শিশু গাছ শুকিয়ে মরে দাড়িয়ে আছে,এ থেকে প্রায়ই সময় ডালপালা ভেঙ্গে পড়ে, ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে ব‍্যবসায়ীসহ পথচারীরা।

গত রেমালা ঝড়ে ৭ক্ষীরা সড়কে ডাল পড়ে উলাশী ইউনিয়নের পানবুড়ি গ্রামের ছোট খোকার ছেলে জহুর আলী(৪৭) ও বেনাপোল সড়কে প্রায় ৫ বছর আগে নাভারন বাজারে বড় মসজিদের সামনে থাকা আরেকটি শিশু গাছের ডাল ভেঙ্গে,উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে নুর হোসেন (৩৫)নামে আরো এক পথচারী নিহত ও অন‍্যান‍্যরা ক্ষয়ক্ষতির স্বীকার হয়।

এছাড়া গত কোরবানি ঈদের আগে এই গাছের নিচে ফুটপথে ডিম ব‍্যবসায়ী মোশাররফের দোকানের উপর ডাল পড়ে ডিম ভেঙ্গে প্রায় লক্ষাধিক ও তার পাশে থাকা আরেক চা দোকানী আলাউদ্দীনের দোকানের উপর ডাল পড়ে হাজার হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। অল্পের জন্য তারা প্রানে বেচে যায়। এছাড়াও এই গাছ সংলগ্ন ফুটপথে ছোটখাট আরো ব‍্যবসায়ী আছে তারাও কমবেশি ক্ষয়ক্ষতির স্বীকার হয়েছেন। কলেজের সামনে এই মরা গাছ থেকে ১০ গজ দূরে অবস্থিত, জিনাত উল্লাহ শপিং কমপ্লেক্সের গার্মেন্টস ব‍্যবসায়ী ও পথচারী মিনারুল ইসলাম বলেন,জীবন শংকা অবস্থায় আমরা এখানে থাকি ও চলাফেরা করি,কখন না জানি গাছ ও ডালপালা ভেঙ্গে পড়ে।

তিনি আরো বলেন,দেশে বিল্ডিং ধস সহ বড় ধরনের কোন অনাকংখিত ঘটনা ঘটলে, ঐমনি সরকারের বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্তা সহ এ দপ্তর,,ও দপ্তরের দৌড়,ঝাপের শেষ থাকে না। তবে এই গাছ থেকে দূর্ঘটনা ঘটার আগেই আমরা স্থানীয় প্রশাসন সহ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলেও,এই গাছ ও আমাদের দাবির প্রতি সরকারের এই বৈরী আচরণ কেন বোধ গম‍্য নয়।গাছের নিচ দিয়ে চলাচলকারী আরেক পথচারী ঝন্টু বলেন, এই গাছটি দীর্ঘদিন ধরে এভাবে মরাক্রান্ত অবস্থায় আছে,এমনি চলাফেরা করতে ভয় হয়,তাই যত দ্রুত সম্ভব মরা শতবর্ষ গাছটি অপসারণের জোর দাবি জানান। এত ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের পরও সড়ক ও জনপথ,স্থানীয় প্রশাসন সহ কারোর টনক নড়েনি।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নয়ন কুমার রাজবংশীর সাথে ০১৭৬৮৭৫৭৮৭৮ এই নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও,তিনি ফোন রিসিভ করেননি। মানুষের জীবনের চেয়ে প্রানহীন গাছের মূল্য বেশি নয়। ডালপালা ভেঙ্গে অসংখ্য হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, যদি পুরো গাছটি উপরে পড়ে, তাহলে কতনা প্রানহানীর ঘটনা ঘটতে পারে, তাই ভূক্তভোগীরা বড় ধরনের কোন ঘটনা ঘটার আগেই সড়কের পাশে মরা মেরুদণ্ডহীন গাছগুলো অপসারণ করার দাবি জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।